শেয়ার বাজার

লন্ডন প্রবাসীকে মোবাইল ফোনে হুমকি স্থানীয়দের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

লন্ডন প্রবাসীকে মোবাইল ফোনে হুমকি স্থানীয়দের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর (হাড়িকোনা) গ্রামের স্বজ্জন ব্যক্তিত্ব মানবতার ফেরিওয়ালা তালাশ টিভির উপদেষ্টা লন্ডন প্রবাসী সৈয়দ রফিকুল হক' কে মোবাইল ফোনে দেশে আসলে যুদ্ধ ঘোষনা করে দেখে নেওয়া ও বাড়ীঘর ভাংচুর করার হুমকি,এবং তাহার বিরুদ্ধে  মিথ্যা অপপ্রচার,  এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছন রফিকুল হক এর আত্নীয়-স্বজনসহ স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২১মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ লিপিতে তাহার পক্ষে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

খোজঁ নিয়ে জানাযায়, পারিবারিক বিরোধকে  কেন্দ্র  করে লন্ডন প্রবাসী রফিকুল হককে দূর্বল করতে  সৈয়দ জহুরুল ইসলাম ও সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম মোবাইল ফোনে এই হুমকি দেন। প্রকৃত পক্ষে রফিকুল হক কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি  যুক্ত নয়। তিনি গত ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি কে ভালো বেসে দেশে আসেন এবং ধানেরশীষের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করেন।  তিনি বিগত ১৫ বছর যাবৎ লন্ডনে একটি মসজিদের মোতওয়াল্লি হিসেবে সততার সহীত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী,  তিনি অনেক অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করে থাকেন। মানব সেবী ও সামজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাহার আলাদা পরিচয় রয়েছে। লন্ডন কমিউনিটিতে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।  এরকম একজন সৎ মানবতার ফেরিওয়ালা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার সিনেমাকেও হারমানিয়েছে। স্থানীয়রা বলেন সৈয়দ রফিকুল হক দেশে আসলে তাহার নিরাপত্তা দিতে পুলিশ প্রশাসনের নিকট উধাত্ত আহবান জানান। তারা বলেন অবশ্যই  প্রশাসন নিরাপত্তার বিষয়টি গুরত্বসহকারে বিবেচনা করবে। সংবাদ প্রকাশের আগে তাহার বক্তব্য না নেওয়ায় স্বার্থের বিষয়টি পরিস্কার। একটি স্বার্থন্বেসী মহল নিজেদের আখের গোছাতে অন্যের ভালো কাজ সহ্য করতে না পেরে হুমকি ও অপপ্রচারে লিপ্ত।

এর আগে গত ১২ মে (মঙ্গলবার) দৈনিক জগন্নাথপুর পত্রিকায়পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে  “জগন্নাথপুরে নির্বাচনী বিরোধে এমপি কয়ছর আহমদের সমর্থকের উপর হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় সৈয়দ রফিকুল হক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে যে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, সৈয়দ জহর নিজেই পরিস্থিতিকে নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছেন।

“রাতের আঁধারে ইজারা বাণিজ্য: ৬১ লাখ টাকার কাজ গেল আ.লীগ নেতার ঘনিষ্ঠের হাতে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৬

“রাতের আঁধারে ইজারা বাণিজ্য: ৬১ লাখ টাকার কাজ গেল আ.লীগ নেতার ঘনিষ্ঠের হাতে!

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের ৬১ লাখ টাকার ইজারা রাতের আঁধারে মোটা অংকের টাকায় আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীকে দেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের উপর| গোয়াইনঘাটে উপজেলার প্রভাবশালী মহল, প্রশাসনের সাথে রয়েছে সখ্যতা আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীর| কামাল উদ্দিনের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ, রমজান আলী, কবির আহমদ, ফারুক আহমদ, কাওছার আহমদ, নাহিদ আহমদ, মাহিন আহমদ উশৃঙ্খল ও দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির লোক| বিভিন্ন লোকজনদেরকে ফাঁদে ফেলে টাকা আত্মসাৎ করাই তাদের একমাত্র পেশা| তারা ˆ¯^রাচার আওয়ামীলীগের গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন অংঙ্গ সংগঠনের সক্রিয় কর্মী ও প্রভাবশালী নেতা ছিলেন|

গত ২৬ এপ্রিল জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় কর্তৃক স্মারক নং- প/জা/ইউপি ২০২৬/৪২ মূলে সর্ব সাধারণের জ্ঞাতার্থে ২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন বালি পরিবহনকারী গাড়িও পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে বালি পরিবহনকারী ইঞ্জিন নৌকার উপর ইউনিয়ন উন্নয়ন কর হিসাবে ইজারা প্রদান করার লক্ষ্যে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করেন| দরপত্র জারির পর প্রায় ৪০ জনের মত ব্যক্তি বিভিন্ন প্রতিষ্টানের নামে অফেরতযোগ্য ১ হাজার টাকা ফি প্রদানের মাধ্যমে দরপত্র দাখিল করেন| দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২৯ এপ্রিল বুধবার দরপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ও সময়/ দরপত্র খোলার সময় দেওয়া হয়| আবার একই দিন দুপুর সাড়ে ১২ ঘটিকার সময় সর্বোচ্চ দরদাতা / ইজারাদারের নাম ঘোষণা করার কথা জানানো হয়| গত ২৯ এপ্রিল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের অফিস কক্ষ আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলী, এনাম আহমদ সহ অন্যান্য দরপত্র আহবানকারীদের উপস্থিতিতে জনসম্মুখে বর্ণিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ইজারা সর্বোচ্চ ইজারাদার হিসাবে শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বলকে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে নাম ঘোষণা করা হয়| শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বল ৬১ লাখ টাকার বিনিময়ে ইজারা প্রাপ্ত হন বলে জানানো হয়|

কিন্তু অদৃশ্য ক্ষমতার বলে পরবর্তীতে তা বাতিল করে এনামকে দেওয়া হয়| প্রকৃতপক্ষে এই ইজারা নেওয়ার মুলে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলী| রমজান আলীর সাথে চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের রয়েছে সুসম্পর্ক| আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীর উপর ˆবষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র জনতার উপর হামলার দােেয় গোয়াইনঘাট থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে| তাই কৌশলে রমজান ও চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ গত ১৪/০৫/২৬ ইং ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ডাকঘর: মাতুরতল বাজার-৩১৫০, উপজেলা: গোয়াইনঘাট, জেলা: সিলেটের ¯^ারক নং-: প: জাফ, ইউ. পি/২০২৬-৪৯ তারিখ: ১৪/০৫/২০২৬ মুলে একটি দরখাস্ত কাউকে না জানিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রমজানের পছন্দের মানুষ এনাম কে ইজারা প্রদান করেন| এসময় শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বল ইজারা না দিয়ে রমজানের ঘনিষ্ঠ সহচর তার অনুপস্থিতিতে ইজারা মেসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন, পিতার নাম: আছদ্দর আলী, গ্রাম: তারুখাল, ডাক: মাতুরতল বাজার-৩১৫০, উপজেলা: গোয়াইনঘাট জেলা: সিলেটকে ইজারা প্রদান করা হয়| এতে ০২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের লাখ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়|

ইজারাদার এনাম কে ইজারা দেওয়ার পেছনে রমজানের সম্পৃক্ততা রয়েছে| এনামের নামও প্রতিষ্টানের নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতা রমজান ইজারা নেয়| কারন রমজান বিগত ফ্যাসিস্ট ˆ¯^রাচার আওয়ামী লীগ সরকারের উপজেলার প্রভাবশালী নেতা ছিল| তার বিরুদ্ধে তখন কথা বলার সাহস কেউ পেত না| জুলাই আগষ্টের আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে রমজান খোলস পাল্টিয়ে বিভিন্ন মানুষের নামে ও প্রতিষ্টানের নাম ব্যবহার করে আজ পর্যন্ত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে| একাধিক সুত্রে রমজান সীমান্তে ওপার থেকে ভারতীয় পন্য, বিদেশি মদ, চিনি, কসমেটিক সহ নানান জিনিস সরকারের রাজ¯^ ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে| চোরাচালানের জগতে রমজানের প্রভাব ও আধিপত্য এখনো বহাল আছে বলে জানিয়েছেন উপজেলাবাসী|

বর্তমানে ইজারাদার মেসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজ কতৃক মালামাল বহনকারী নৌকা ও ট্রাক গুলোতে যে পরিবহন কর রশিদ দিচ্ছেন তাতে রয়েছে পরিবহন শ্রমিক ও চালকদের নানান প্রশ্ন| চালকরা জানান, কর রশিদের মধ্যে রয়েছে ইজারাদার প্রতিষ্টানের নাম, ইউনিয়ন পরিষদের স্মারক| নেই কোন শীল মোহর, নেই কোন যোগাযোগ না¤^ার| ইজারাকৃত জায়গা থেকে মালমাল নেওয়ার সময় যদি কোন জায়গায় জবাবদিহিতা বা আইনগত কোন ঝামেলার সৃষ্টি হলে এই পরিবহন কর রশিদ কতটুকু যৌক্তিক বা আইনসিদ্ধ হবে তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না|



সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে
হামলায় আহত শ্রমিকনেতা আবুল হোসেনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

হামলায় আহত শ্রমিকনেতা আবুল হোসেনের মৃত্যু

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আততায়ীর হামলায় গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শ্রমিকনেতা আবুল হোসেন (৩৪)। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। আবুল হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়নের গৌরীনগর গ্রামের মৃত আক্রম আলীর ছেলে। তার তিনটি শিশু কন্যাসন্তান রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এস এম আসাদুজ্জামান জুয়েল ও কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক সুজন চন্দ্র কর্মকার।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ধোপাগুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার খাগাইল গ্রামের একদল আবুল হোসেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে রাস্তায় ফেলে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তিনি আইসিইউতে এত দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক সুজন চন্দ্র কর্মকার বলেন, সকালে আবুল হোসেন মারা গেছেন। তার পরিবার মামলা করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।



আর কতো রামিসা মরলে আমাদের সবার টনক নড়বে?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ মে, ২০২৬

আর কতো রামিসা মরলে আমাদের সবার টনক নড়বে?

সুনির্মল সেন: রামিসার জন্য আজ আর শোক নয়! রামিসা হত্যার দৃশ্যমান বিচার চাই! কঠিন থেকে কঠিনতর বিচার চাই। আর কতো শিশুর রক্ত ঝরলে এ দেশের টনক নড়বে? রামিসার বয়স কতোই বা ছিলো? এমন একটি বয়স, যখন শিশুর হাতে থাকার কথা বই, খাতা, পেন্সিল আর স্কুলব্যাগ। এমন একটি বয়স,  যখন পৃথিবীকে চেনার কথা মায়ের হাত ধরে, স্কুলের পথে, বন্ধুর হাসিতে, ছোট ছোট স্বপ্নে। অথচ সেই শিশুটিই আজ আমাদের সামনে রেখে গেছে এক ভয়াবহ প্রশ্ন! এই দেশে শিশুদের জন্য নিরাপদ জায়গা কোথায়?

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে সংঘটিত শিশু রামিসা হত্যাকান্ড নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে আমাদের প্রশ্ন, এ নির্মম নৃশংস হত্যার শিকার শিশু রামিসা আক্তারের বাবার বুকফাটা আর্তনাদ ও ক্ষোভের যে বিবরণ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা কি সমাজের বিবেককে নাড়া দেবে? একটি সাত বছরের শিশুকে যে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে, তা আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দূর্বল দিকটি উন্মোচিত করেছে। 

এই নির্মম হত্যাকান্ড আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশে সামাজিক মূল্যবোধের কতোটা অধঃপতন ঘটেছে। একই সাথে শিশু রামিসার বাবার ক্ষোভ অপরাধীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি না হওয়ার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিবাদ। বস্তুত এ দায়মুক্তির সংস্কৃতি নতুন নতুন অপরাধের জন্ম দিচ্ছে।

আমাদের সমাজে শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা দিনের পর দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। পারিবারিক শত্রুতা, জমিজমা নিয়ে বিরোধ কিংবা তুচ্ছ কোনো ঘটনার প্রতিশোধ নিতে এখন কোমলমতি শিশুদের টার্গেট করা হচ্ছে, যা চরম বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। বস্তুত শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাকান্ড বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, এগুলো বহু বছর ধরে চলে আসা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়ের প্রতিফলন। মাদকের বিস্তারও এ ধরনের অপরাধ বৃদ্ধির একটি বড় কারণ।

রাজধানী পল্লবীর এ হত্যাকান্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে আমরা কতোটা ব্যর্থ হয়েছি। রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এর কারণ যথাযথভাবে খুঁজে বের করে প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে।সাম্প্রতিক রামিসা হত্যাকান্ড সহ ইতোপূর্বের সকল হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে অপরাধীর দ্রুত সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে এ ধরণের অপরাধ রোধে শুধু আইন বা সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য শক্তিশালী সামাজিক আন্দালন গড়ে তোলা এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। যে সব কারণে মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে, সেসব বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। আর কোনো মা -বাবা ও বোনের বুক যেনো এভাবে খালি না হয়, আর কোনো পরিবারকে যেনো এমন নির্মম, নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্র ও সমাজকে। সর্বশেষে বলতে হয়, "আর কতো রামিসা মরলে আমাদের সবার টনক নড়বে?" (লেখক: কবি ও গণমাধ্যমকর্মী)