শেয়ার বাজার

সুনামগঞ্জের শাল্লায়
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৬

 শাল্লা থেকে মোঃ ফারুক:  সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পায়েল মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে ইছাকপুর গ্রামে সাইদুর রহমান গ্রুপ ও শফিউল মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বছরও একই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

নিহত পায়েল মিয়া ইছাকপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সংঘর্ষে আহত হন একই গ্রামের সালেক মিয়ার স্ত্রী তাহেরা বেগম (৩২) ও এরশাদুল্লাহর ছেলে আলকাস মিয়া (৫০)।
আহতদের প্রথমে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের অবস্থার অবনতি দেখে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এ বিষয়ে সাইদুর রহমান বলেন, “আমরা পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই প্রতিপক্ষ আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা পায়েলকে হত্যা করেছে এবং তাহেরা ও আলকাসকে গুরুতর আহত করেছে। তাহেরার অবস্থা আশঙ্কাজনক।” অন্যদিকে আওয়াল নুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “কোনো মারামারি হয়নি। তারা নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”

শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নিহত পায়েল মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

সিলেটে ‘চাঁদা না পেয়ে’
বৃদ্ধ ব্যবসায়ীকে মব করে মারধর ১৩ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

বৃদ্ধ ব্যবসায়ীকে মব করে মারধর  ১৩ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৫

সিলেট নগরের শিবগঞ্জ সেনপাড়া এলাকায় মুদি দোকানি খগেন্দ্র চন্দ্র দাসকে মব করে মারধরের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এক শিশুর সাথে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ এনে ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করে কিছু লোক। তবে পুলিশ আপত্তিকর আচরণের অভিযোগের প্রমাণ পায়নি। আর খগেন্দ্র চন্দ্র দাসের মারধরকারীদের একজন কয়েকদিন আগে তার কাছে টাকা দাবি করেছিল। মারধরকারীরা তার দোকানের মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ তার।

এদিকে, এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন খগেন্দ্র দাসের ছেলে রুবেল দাস। পুলিশ ইতোমধ্যে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া মারধরে গুরুতর আহত খগেন্দ্র চন্দ্র দাস বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

জানা যায়, গত শুক্রবার রাত প্রায় ৮টার দিকে শিবগঞ্জ সেনপাড়া এলাকার মুদি দোকান ‘রাণী স্টোর’ থেকে কোমল পানীয় কিনতে আসে আট বছর বয়সী এক শিশু। সে সময় দোকানে ক্রেতাদের ভিড় থাকায় শিশুটিকে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। পরে পণ্য কিনে শিশুটি চলে যায়।

কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা ও বোন দোকানে এসে কেন দেরি হয়েছে তা জানতে চান। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি অভিযোগ তোলেন, দোকানদার শিশুটির শরীরে স্পর্শ করেছেন। এর কিছুক্ষণ পরই সংঘবদ্ধ কয়েকজন লোক দোকানে জড়ো হয়। একপর্যায়ে তারা দোকান মালিক খগেন্দ্র চন্দ্র দাসের ওপর হামলা চালায়। লাথি-ঘুষিসহ এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে তাকে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। শনিবার এই মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দেয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে। ফুটেজ পর্যালোচনা এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাই করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, সন্ধ্যার পর এক শিশু টাইগার (কোমল পানীয়) কিনতে আমার দোকানে আসে। এসময় দোকানে ভিড় থাকায় আমি তাকে সরে যেতে বলি। পরে শিশুটি টাইগার নিয়ে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বোন এসে বিভিন্ন অভিযোগ করতে থাকেন। তখন তাদের আমি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য বলি। এরমধ্যেই আচমকা কয়েকজন যুবক এসে আমাকে মারধর শুরু করে।

খগেন্দ্র দাস বলেন, মারধরকারীদের সবাইকে আমি চিনি না। তবে তাদের মধ্যে একজন কয়েকদিন আগে আমার কাছে টাকা দাবি করেছিল। তিনি বলেন, মারধরকারীরা আমার মোবাইল ফোন, শার্ট ও প্যান্টের প্যাকেট এবং ক্যাশবাক্স থেকে টাকা ও সিগারেটের কার্টুন নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ মনজুরুল আলম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, অভিযোগে উল্লিখিত শ্লীলতাহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। যাচাই-বাছাই ছাড়াই গুজব ও সন্দেহের ভিত্তিতে এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ীকে মারধর করা হয়েছে। এটি মব জাস্টিসের একটি স্পষ্ট ঘটনা। তিনি বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিরা হলেন সেনপাড়ার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টুর স্ত্রী মোছাম্মৎ শিল্পী বেগম (৪২), ওহিদুল আলমের ছেলে আহম্মদ হোসেন আরিফ (২৪), মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টুর ছেলে আকাশ আহমেদ (২০), মেয়ে মোছাম্মৎ রোজী আক্তার (২০), মেয়ে রোকেয়া আক্তার (২২), মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টু (৫০), বিল্লাল মিয়ার ছেলে শোয়েব (৩০), শিবগঞ্জ খড়াদিপাড়ার মখর মোল্লা লাক্কুর ছেলে নাদিম আহমদ (২৭), ইমন (২৬), সেনপাড়ার কামাল (২৬), সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দ আবু বক্কর (২৭), দেলোয়ার (৩৫), অন্তর (২৬)সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন।

এদিকে, ব্যবসায়ীর ওপর মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে সংঘটিত এ হামলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এঘটনায় মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ হিন্দু বৌদ্ধ কল্যাণ ঐক্য ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ আহত ব্যবসায়ীর পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।


১৯ মে থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৬

১৯ মে থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দয়েরের প্রতিবাদে সিলেট বিভাগে অনির্দিষ্টকালের সড়ক পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে। ১৮ মে’র মধ্যে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার না হলে ১৯ মে থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির জরুরী সভায় এই কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়।

এরআগে গত ২৭ এপ্রিল দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় শ্রমিকদের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সংঘর্ষে আহত দুই শ্রমিক পরে মারা যান। মারা যাওয়া শ্রমিক ছাবলু মিয়ার বাবা গত ৫ মে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সামছুল হক মানিক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুর মিয়াসহ ২৯ নামের উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৬০ জনকে। এই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতেই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা।

বৃহস্পতিবারের সভায় ফেডারেশনের বিভাগীয় নেতৃবৃন্দের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৯ মে মঙ্গলবার ভোর ৬ টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের জন্য সর্বস্তরের পরিবহন শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা। সভায় ফেডারেশনের বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধিত্বশীল সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সজিব আলীর পরিচালনা অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, সুনামগঞ্জ জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজুর নুর, সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কালা মিয়া, মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক পিকাপ কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি অদুদ আহমদ, সিলেট জেলা ট্রাক পিকাপ কার্ভড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি কাওসার আহমদ, কোষাধ্যক্ষ বাদল আহমদ, সিলেট জেলা সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আজাদ মিয়া, সিলেট জেলা ইমা লেগুনা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইনসান আলী, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত আবুল, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী প্রমূখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৭ এপ্রিল সিলেট কদমতলী বাস টার্মিনালে একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের শীর্ষ সংগঠনের বিভাগীয় সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ নিরপরাধ শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে আসামি করার ঘটনায় সর্বস্তরের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ক্ষুব্ধ। আমরা উক্ত ঘটনা ও অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের ঐক্য বিনষ্টের কোন ষড়যন্ত্র শ্রমিক সমাজ মেনে নিবে না। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি সেদিন ঘটনার সময় ফেডারেশনের বিভাগীয় সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ নাজিরবাজারে শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা ঘটনা শুনে সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন। সেই ঘটনায় নিরীহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে আসামি করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে আগামী ১৯ মে ভোর ৬টা থেকে সিলেট বিভাগে সর্বাত্মক সড়ক পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি সফলের জন্য শ্রমিক ভাইদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।



কোম্পানীগঞ্জে সংঘর্ষ
কোম্পানীগঞ্জে সংঘর্ষে ১ জন নিহত আহত- ১০

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬

কোম্পানীগঞ্জে সংঘর্ষে ১ জন নিহত আহত- ১০

 সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে খাগাইল ও গৌরিনগর গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে একজন নিহত এবং ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক। তিনি বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষ ১ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।