শেয়ার বাজার

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মু: রেজা হাসানকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  মু: রেজা হাসানকে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মু: রেজা হাসানকে। তিনি কুমিল্লা জেলার জেলা প্রশাসক দায়িত্ব পালন করেছেন।

রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে কুমিল্লা থেকে সিলেটে বদলি করা হয়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মো. ইসমাইল হোসেন সাক্ষরিত একপত্রের মাধ্যমে তাকে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

এরআগে, গত রবিবার (২১ জুন) সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমকে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এরপর ২৩ জুন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিদায়ী স্ট্যাটাসে সারওয়ার আলম লেখেন, ‘বিদায় সিলেট। ভালো থাকুন সিলেটবাসী। আপনাদের ভালোবাসায় আমি ধন্য।’ একই দিন তিনি সিলেট ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্বও নিয়েছেন।


১১ দলীয় জোটের সমাবেশের কারণে
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের সভা রবিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬

জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের সভা রবিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশ থাকায় জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের সিলেট জেলা আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সভার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানাযায়,  জাতীয়  ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন (রেজি. নং- এস-১০২৩৮/০৯)-এর কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক সিলেট জেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের পর আজ ২৫ জুলাই শনিবার বিকেল ৩টায় সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ হক সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় দৈনিক সোনালী সিলেট পত্রিকার অফিসে আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

তবে একই দিনে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশ থাকায় সভার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ২৫ জুলাই শনিবারের পরিবর্তে  আগামী ২৬ জুলাই রবিবার বিকেল ৪টায় একই স্থানে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় আহ্বায়ক কমিটির সকল সদস্যকে যথাসময়ে উপস্থিত থেকে সংগঠনের পরবর্তী কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের সিলেট জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব এম. এ. এইচ. শাহিন।

এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি সভার সময় পরিবর্তনের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে সকলকে যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ২৪ জুলাই ২০২৬।



রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণাল

আসন্ন রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে হাইকোর্টের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আপিল করবে কী না এমন সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রায়ের কপি না পাওয়ায় এখনই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রায়ের কপি পাওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রোববার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের প্রেক্ষিতে সরকারের অবস্থান। এখনো রায়ের কপি পাওয়া যায়নি। রায়ের কপি পেলে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। আগামীকাল সোমবার আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

এর আগে এদিন দুপুরে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।


বিডিআর বিদ্রোহ
'অল্প দিনের মধ্যেই' চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

'অল্প দিনের মধ্যেই' চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বার্তাবেলা ডেস্ক: পনেরো বছর আগে ঘটা বিডিআর বিদ্রোহ সংক্রান্ত বিচার নিয়ে কোনো গাফিলতি নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, “অল্প দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে।”

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বনানীর সামরিক কবরস্থানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা অর্পন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, “রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হেডকোয়ার্টার্স (প্রাক্তন বিডিআর হেডকোয়ার্টার্স ) ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি নেই।”

“চূড়ান্ত বিচার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি। এটা সম্পূর্ণই বিচারিক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে;” তিনি যোগ করেন।

গত ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, তিন দিনব্যাপী 'বিডিআর সপ্তাহ' চলার সময়, পিলখানা সদর দপ্তরের দরবার হলে বাংলাদেশ রাইফেলস এর (বর্তমান বিজিবি) কয়েকশ সদস্য সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। তারা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে।

বিএনপির উদ্বেগ

পিলখানা বিদ্রোহ মামলার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রবিবার (২৫ ফেব্রয়ারি) সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে বিদ্রোহের সময় নিহত ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

পরে মঈন খান বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলার রায়ের কথা আমরা শুনেছি; কিন্তু রায়ের অবস্থা কী? রায়ে কি কোনো আপিল হয়েছে? আর, ১৫ বছরেও শুনানি শেষ হয়নি কেন?

''এছাড়া, ২০১১ সালে একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করা হয়। কেন এই মামলার বিচার এখনো বিলম্বিত হচ্ছে?” তিনি প্রশ্ন করেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে 'অনেকে জড়িত'

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন যে অনেকে এখানে (পিলখানা হত্যাকাণ্ড) জড়িত ছিলো। এগুলোর তদন্ত শেষ করা একটা বিরাট কর্মকাণ্ড। কাজগুলো শেষ হয়েছে। প্রাথমিক বিচারও হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেয়ার সময় বনানীর সামরিক কবরস্থানে তিন বাহিনীর প্রধান, জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের নিকটজন উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্রোহের একদিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি সরকার ও বিডিআর বিদ্রোহীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেনেড জমা দেয়ার মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে। সেই ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে একটি হত্যা ও লুটপাটের অভিযোগে, বাকিগুলো বিদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা হয়।

হত্যা মামলার বিচারে, ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া, ২৭৭ জন অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস পান।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৬২ জন বিদ্রোহীকে তিন মাস থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত, বিভিন্ন মেয়াদে এবং প্রয়াত বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

অন্যদিকে, বিদ্রোহের ৫৭টি মামলায় ৫ হাজার ৯২৬ জন বিডিআর জওয়ানকে চার মাস থেকে সাত বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।