শেয়ার বাজার

বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে

প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে চলে এলো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মূল ট্রফি। আজ (বুধবার) সকাল দশটার দিকে বাংলাদেশের মাটিতে এসে পৌঁছায় সোনালি ট্রফিটি। সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতার পর হোটেল রেডিসনে আসবে এই ট্রফি।

আজ দুপুর দুইটার পর নির্বাচিত দর্শকদের জন্য ট্রফি নিয়ে সেশনের ব্যবস্থা আছে। তবে সাধারণ দর্শকদের দেখার তেমন সুযোগ থাকছে না।

ট্রফির সঙ্গে এসেছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের সাবেক মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।

কোকা-কোলা কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার যৌথ উদ্যোগে গত ৩ জানুয়ারি শুরু হয় ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা এর ষষ্ঠ আসর। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্বভ্রমণের সূচনা করা হয়।

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ- কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আগের যে কোনো আসরের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপে থাকবে আরও বেশি দল (৪৮টি), আরও বেশি ম্যাচ (১০৪) এবং ব্যাপক উৎসব আয়োজন।

ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি ভ্রমণ করবে ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে। পুরো সফর চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য জীবনে একবার দেখার মতো এক অনন্য সুযোগ তৈরি করবে।

বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে: মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে: মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

বার্তাবেলা ডেস্ক: শেষ হয়ে গেল মিনহাজুল আবেদিন উপাখ্যান। ১৯৯০ সালে ভারতের মাটিতে এশিয়া কাপে ও একই বছর অস্ট্রেলেশিয়া কাপে টিম বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেতৃত্বে দেওয়া দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবসময়ের অন্যতম দক্ষ ও সেরা ব্যাটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু আজ থেকে আর জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক নন।

আজ ১২ ফেব্রুয়ারি বিসিবি পরিচালক পর্ষদের সভায় তার সঙ্গে বোর্ডের চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নান্নুর বদলে প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে দেশের ক্রিকেটের আরেক উজ্জ্বল তারকা ও বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে।

বলে রাখা ভালো, ক্লাব ক্রিকেট আশির দশকের শুরুতে আবাহনীতে এক সঙ্গে খেলেছেন লিপু আর নান্নু। লিপু ছিলেন আবাহনীতে নান্নুর প্রথম অধিনায়ক। একইভাবে ৮৬ সালে প্রথম এশিয়া কাপেও গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর ক্যাপ্টেন্সিতেই খেলেছেন নান্নু।

জাতীয় দলে লিপুর পর অধিনায়কও হয়েছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এবার নান্নুর বদলে প্রধান নির্বাচক হলেন লিপু। ২০১৬ থেকে টানা ৭ বছরের বেশি সময় প্রধান নির্বাচক ছিলেন নান্নু। তারও আগে প্রথম নির্বাচক হয়েছিলেন ২০১২ সালে। আজ সে নির্বাচক পদের ইতি নান্নুর। 

কিভাবে দেখছেন ব্যাপারটিকে? কেমন লাগছে? অনুভূতি কী?

এটা বিসিবির এখতিয়ার। বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, সেটাই করেছে। আমি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। প্রধান নির্বাচক পদে ৭ বছর আর নির্বাচক পদে আরও ৫ বছর- মোট ১২ বছরের বেশি সময় আমি নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছি, সেটাও কম নয়।’

এর বেশি আর কোনো মন্তব্য করতে না চাইলেও অন্য কথা প্রসঙ্গে নান্নুর মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে একটি আক্ষেপ। তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না, মানে তিনি আর প্রধান নির্বাচক থাকছেন না, এ বিষয়ে তার সঙ্গে বোর্ডের নীতি-নির্ধারকদের কেউ কোনো কথা বলেননি।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, আইসিসির অনুরোধেও অনড় বিসিবি

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, আইসিসির অনুরোধেও অনড় বিসিবি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখনো তাদের সিদ্ধান্তে অনড়। আইসিসি এক ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনায় বিসিবিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু বিসিবি তাতে রাজি নয়।

মঙ্গলবার বিকেলে বিসিবি ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মধ্যে একটি ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভিডিও কনফারেন্সে বিসিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি মো. শাকাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।

আলোচনায় বিসিবি ভারতে সফর না করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইসিসির কাছে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের অনুরোধও পুনরায় জানানো হয়।

এ সময় আইসিসি জানায়, টুর্নামেন্টের সূচি ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে এবং বিসিবিকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়। তবে বিসিবি তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানায়।

উভয় পক্ষই বিষয়টির সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করতে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ব্যাপারে একমত হয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও স্টাফদের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে বিষয়টি সমাধানে আইসিসির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বোর্ড।


সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

শেরে বাংলাদেশ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা আজ রোববার স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু গত বুধবার থেকে টানা ৩দিন ‘হোম অব ক্রিকেটের’ বাইরের জায়গাটা মোটেও স্থিতিশীল ছিল না। পুরো এলাকা ছিল উত্তপ্ত। সাকিব আল হাসানের বিরোধী ও ভক্তদের অবস্থান, স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুন ও দেয়াল লিখনে ছিলো সয়লাব। দুই গ্রুপের ছিল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচীও।

আগামীকাল সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শুরু হবে ঢাকা টেস্ট। স্বস্তির বিষয় হলো- একদিন আগে হলেও সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে স্টেডিয়াম এলাকায়। এর আগে হট্টগোলের মধ্যেই অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল।

বিরোধীরা বলেছে, সাকিবকে খেলতে দিলে মিরপুর ব্লকেড করে দেওয়া হবে। বিসিবি সভাপতির কাছে স্মারক লিপিও দিয়েছে তারা। অন্যদিকে ভক্তদের দাবি, দেশের মাটিতেই সাকিবকে টেস্ট থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এছাড়া ৪ দফা দাবি জানায় সমর্থকরা।

এসব ঝামেলার মধ্যে নতুন কোচ নিয়োগ বিসিবির। তার আগে ভারতের বিপক্ষে বাজেভাবে সিরিজ হার। সব কিছু মিলিয়ে ঢাকা টেস্টে নামার আগে দেশের ক্রিকেটীয় পরিবেশ প্রেক্ষাপট কিছুটা হলেও প্রতিকূল বাংলাদেশের জন্য। এমন অবস্থায় খেলার প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা এবং ভালো খেলার একাগ্রতা ধরে রাখাও বেশ কঠিন।

আজ রোববার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখানে এসব বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন অধিনায়ক।

শুরুতেই উঠে আসে সাকিব-ইস্যু। এছাড়া ক্রিকেটারদের জন্য বর্তমান পারিপাশ্বিক অবস্থা কতটা কঠিন, আগামীকাল স্বাভাবিক মানসিকতা নিয়ে খেলতে পারবেন কিনা ক্রিকেটাররা, এসব নিয়েও ছিল প্রশ্ন।

শান্ত অকপটে স্বীকার করেন যে, পরিস্থিতি আসলেই কঠিন। তবে এসব নিয়ে বেশি সময় নষ্ট করতে চান না তিনি। বরং ম্যাচের দিকেই বেশি মনোযোগী হতে চান টাইগার অধিনায়ক।

শান্ত বলেন, ‘এটা আমাদের কন্ট্রোলে নেই। যেহেতু কন্ট্রোলে নেই, এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করা মানে সময় নষ্ট। যত বেশি সম্ভব খেলায় ফোকাস করা, খুব ইম্পরট্যান্ট দুটি টেস্ট। খেলোয়াড়রা খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এটাতেই মনোযোগ রাখার চেষ্টা করছে।’

সাকিবকে নিয়ে টেস্ট ম্যাচটি খেলতে চেয়েছিলেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত বাঁহাতি-অলরাউন্ডাকে না পাওয়াকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করেন তিনি।

শান্ত বলেন, ‘পরিকল্পনা তো ছিলই, বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। শুধু বাংলাদেশই বলবো না, গোটা বিশ্বের। খুবই দুর্ভাগ্যজনক, যেকোনো কারণেই হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, প্রত্যেক খেলোয়াড় মনে করে, পেন্ডিং থেকেই গেল। দুর্ভাগ্যজনক। হওয়া উচিৎ ছিল। আমরা সবাই জানি কেন হয়নি। এটা নিয়ে টেস্ট ম্যাচের আগের দিন বেশি কথা বলতে চাই না। আমি চাই প্রত্যেক খেলোয়াড় খেলায় মনোযোগ রাখুক।’